
উইঘুর • পর্যটন কৌশল ব্যবহার করে যেভাবে উইঘুর গণহত্যাকে আড়াল করছে চীন
১০ লক্ষাধিক উইঘুর শিশুকে—যার সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে—তাদের পরিবার থেকে জোরপূর্বক বিচ্ছিন্ন করে চীনা বোর্ডিং স্কুলগুলোতে বন্দি করে রাখা হয়েছে।

১০ লক্ষাধিক উইঘুর শিশুকে—যার সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে—তাদের পরিবার থেকে জোরপূর্বক বিচ্ছিন্ন করে চীনা বোর্ডিং স্কুলগুলোতে বন্দি করে রাখা হয়েছে।

পুরো বিশ্বের চোখ যখন ফুটবলের জমকালো মাঠে , ঠিক তখনই

সামরিক নেতৃত্ব এখনও ৭ অক্টোবরের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি।

ভারত প্রতিটি আত্মহত্যার ঘটনাকে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যা বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করে।

সুদ বন্ধ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাংক নিয়ে ভীতি কেটেছে। ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ফেরায় আমানত রাখার পরিমাণও আগের চেয়ে বাড়তে শুরু করেছে।

এটি আর কেবল সাধারণ কোনো সামরিক অভ্যুত্থান নয়, বরং পুরো শাসকগোষ্ঠীর পতন ও বিদ্রোহীদের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা চলে যাওয়ার এক চূড়ান্ত সন্ধিক্ষণ।

ইরান বা অন্য কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্র যদি বাইরের কোনো শক্তির হামলার শিকার হয়ে অস্থিতিশীলতার মুখে পড়ে, তবে তা তালেবান প্রশাসনের জন্য এক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে।

গত এক মাসে তারা নারীদের শরয়ী অধিকার সংশ্লিষ্ট ৩৬৮টি বিভিন্ন সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান করেছে।

চীন সরকার ওই অঞ্চলে প্রায় ১৬ হাজার মসজিদ ধ্বংস বা আংশিক অপসারণ করেছে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে যে, উইঘুরদের তাদের স্বজনদের লাশ ইট বা সিমেন্টের তৈরি বহুতল ভবনে দাফন করতে বাধ্য করা হচ্ছে। বাইরে থেকে এগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই যে এগুলো উইঘুরদের কবর।

কিন্তু তাঁর রাজত্বের শেষ দিকে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে; মুদ্রা থেকে ক্রুশ চিহ্ন ও রাজার ছবি অদৃশ্য হয়ে যায় এবং সেখানে একটি স্বর্ণের দিনার আবির্ভূত হয়, যাতে খোদাই করা ছিল তাওহিদ ও ইসলামের বাণী।

পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে তলব করে বিয়ের ক্ষেত্রে নারীর অধিকার এবং স্বামী নির্বাচনে স্বাধীনতার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়।












