
গাজায় মার্কিন পরিকল্পনা ঠেকাতে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের পদক্ষেপ
যেকোনো নামে কোনো বাহিনী গাজায় ঢুকলে তা ফিলিস্তিনের জাতীয় সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হবে এবং মানুষের ভোগান্তি আরও দীর্ঘ করবে।

যেকোনো নামে কোনো বাহিনী গাজায় ঢুকলে তা ফিলিস্তিনের জাতীয় সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হবে এবং মানুষের ভোগান্তি আরও দীর্ঘ করবে।

রাফায় অবরুদ্ধ প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ওপর হামলা হলে তার পরিণতি গুরুতর হবে। হামাসের অভিধানে আত্মসমর্পণ বলতে কিছু নেই।

দখলদার বাহিনী যদি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালাতে বা যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে চায়, তাহলে প্রতিরোধ যোদ্ধারা আত্মরক্ষা করবে

দখলদার ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলায় অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি শহিদ হয়েছেন। শহিদদের মধ্যে আটজন শিশু।

জানমাল বাঁচাতে নয়, বরং নজরদারি ড্রোন ও থার্মাল ক্যামেরার চোখ ফাঁকি দিতে এই প্রাচীন ঢিলেঢালা কাপড় পরে ময়দানে নামছেন কাসসামের যোদ্ধারা।

চলমান যুদ্ধে আল কুদস ব্রিগেডের সর্বোচ্চ সামরিক নেতৃত্ব কাউন্সিল অব

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গতকাল রোববার গাজা উপত্যকায় ব্যাপক বিমান হামলা চালায়।

একটি মাত্র ঘটনা কীভাবে একের পর এক দেশকে প্রভাবিত করতে পারে, সেটা বোঝাতে ‘ডোমিনো প্রভাব’ বা ‘প্রজাপতি প্রভাব’-এর মতো ধারণা বুঝা গুরুত্বপূর্ণ।

কাসসাম ব্রিগেডের এক কমান্ডারের বরাতে ঞ্জানা গেছে, আবু উবায়দাকে টার্গেট করে চালানো হামলায় তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। এখন তিনি বিশেষ চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে আছেন এবং অবস্থা স্থিতিশীল।

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস যদি অস্ত্র সমর্পণ না করে, তাহলে

গাজা যুদ্ধের অবসানসংক্রান্ত চুক্তি কার্যকর হয়েছে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর ২০২৫)

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা





