
ইসরায়েলি নজরদারি ও গুপ্তচরবৃত্তির সরঞ্জাম যেভাবে গ্রাস করছে বিশ্বকে
দখলদার ইসরায়েলের অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মূলত এই প্রযুক্তির প্রথম পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

দখলদার ইসরায়েলের অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মূলত এই প্রযুক্তির প্রথম পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এই যোদ্ধারা বিপ্লবের প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন এবং মজলুমদের সহায়তার লক্ষ্যে সিরিয়ায় এসেছিল। তাদের বেশিরভাগ এসেছে মধ্য এশিয়া, আরব, তুরস্ক, বলকান ও ইউরোপ থেকে।

যে মানবিক সংকট একসময় আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্র ছিল, তা এখন পরিণত হয়েছে নিছক প্রশাসনিক ফাইল, পরিসংখ্যান এবং অনুদান সংকটের মতো আমলাতান্ত্রিক এক রুটিনে।

সিরিয়া প্রসঙ্গে তুরস্ক ও কাতারের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরে তুরস্ক সিরিয়ার বিপ্লবের উল্লেখযোগ্য সমর্থক এবং লাখো শরণার্থীর প্রধান আশ্রয়দাতা।

ইসরায়েলি অবরোধের মধ্যে ‘জটিল’ ও হাতে-কলমে পরিচালিত একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে

আশ শাবাবের ঘনিষ্ঠ এক সোমালি সদস্য ইয়েমেনে প্রশিক্ষণের জন্য প্রায় ৪০০ যোদ্ধা কে সমন্বয় করেছে।

এগুলো কি সবই অভিনয়? সমগ্র সরকার কি অভিনয় করতে পারে?

বৃষ্টির কারণে গাজার ১২৫,০০০ এরও বেশি তাঁবু সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা উপত্যকার তাঁবুগুলোর ৯০% এরও বেশি।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আশ শারা ১৯৮২ সালে সৌদি আরবে জন্ম নেন। তাঁর পরিবার ইসরায়েল দখলীকৃত গোলান মালভূমির বাসিন্দা। শৈশব থেকেই ভূমি ও পরিচয় হারানোর বেদনা, দখলদারিত্বের বাস্তবতা—এসব তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সিরিয়ার প্রথম উদ্যোগ ছিল আঞ্চলিকভাবে নিজেদের অবস্থান নতুনভাবে নির্ধারণ করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই সিরিয়া তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার ও জর্ডানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে।

মামদানির এমন বক্তব্যের পর বহু আইন বিশেষজ্ঞই প্রশ্ন তুলেছেন বাস্তবিক অর্থে তিনি আদৌ এমন কোনো পদক্ষেপ কার্যকর করতে পারবেন কি না।

ব্রিটেনে ইসলাম গ্রহণের হার বাড়ার পেছনে গাজা যুদ্ধকে একটি গুরুত্বপূর্ণ












