বুরকিনা ফাসোর সামরিক শাসক ইব্রাহিম ট্রাওরে যেন একটি বিতর্ক থেকে বের হতে না হতেই আরেকটিতে জড়িয়ে পড়েন। বাম গালে গভীর ক্ষতচিহ্ন থাকা এই তরুণ ক্যাপ্টেন ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট কর্নেল পল-হেনরি সান্ডাওগো দামিবাকে উৎখাত করে ক্ষমতায় আসেন। দামিবা নিজেও অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাঁর পূর্বসূরিকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। সেই থেকে ট্রাওরে বুরকিনা ফাসোর রাজনীতির সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের একজন।
পশ্চিম আফ্রিকার প্রাচীন ডিউলা জনগোষ্ঠীর একটি মুসলিম পরিবারে জন্ম ট্রাওরের। ২০১০ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে দ্রুত পদোন্নতি পেতে থাকেন তিনি। সেনাবাহিনীতে প্রবেশের মাত্র ১২ বছরের মাথায় উঠে আসেন রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষে। এরপর পশ্চিমাবিরোধী অবস্থান, ফ্রান্সের সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং নিজেকে থমাস সংকারার উত্তরসূরি হিসেবে তুলে ধরে আফ্রিকাজুড়ে তৈরি করেন এক ‘বিপ্লবী’ ভাবমূর্তি।
কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ সেই ভাবমূর্তিকেই এখন প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। দেশের ভেতরে ইসলামি প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় শিক্ষার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কেও নতুন অধ্যায় খুলছেন ট্রাওরে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—কোন পথে এগোচ্ছেন বুরকিনা ফাসোর এই তরুণ সামরিক শাসক?
আরব ও শরিয়াহ শিক্ষার্থীদের টার্গেট
চারপাশে যখন সংকট ঘনীভূত হচ্ছে, তখন ট্রাওরে নতুন করে নিশানা করেছেন আরবি ভাষা ও ইসলামি শরিয়াহ নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের। অথচ দেশের সবচেয়ে জরুরি সংকটগুলো সমাধানে তিনি যে অগ্রগতি ও সাফল্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার অনেকটাই এখনো অর্জিত হয়নি।
এর মধ্যেই সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ট্রাওরে। আফ্রিকার দাসত্বের জন্য আরবদের দায়ী করার পাশাপাশি বিদেশে ইসলামি শরিয়াহ পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়েও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন তিনি।
১৯ জুলাই ট্রাওরে দাবি করেন, আফ্রিকানরা এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে আরবদের হাতে দাসত্বের শিকার হয়েছে। তাঁর এই মন্তব্য আফ্রিকার দাসত্বের ইতিহাসে আরব ও ইউরোপীয়দের ভূমিকা নিয়ে পুরোনো বিতর্ককে আবার সামনে এনেছে। অনেকেই একে ‘বড় ধরনের ঐতিহাসিক বিভ্রান্তি’ হিসেবে দেখছেন। তাঁদের অভিযোগ, এতে শত শত বছরের দাসপ্রথা ও ঔপনিবেশিক শাসনে পশ্চিমা শক্তিগুলোর ভূমিকা আড়ালে রেখে দায় অনেকটাই আরবদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে ট্রাওরে ইতিহাসেই থামেননি। বিদেশে ইসলামি শরিয়াহ পড়তে শিক্ষার্থী পাঠানো স্থগিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন আরব দেশে অধ্যয়নরত প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থীকে দেশে ফিরিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। যাঁরা ফিরতে অস্বীকৃতি জানাবেন, তাঁদের নাগরিকত্ব পর্যন্ত বাতিলের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

এই সিদ্ধান্তের পক্ষে ট্রাওরের যুক্তি হলো, বিদেশে শরিয়াহ নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের অনেকে চরমপন্থী চিন্তা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে দেশে ফেরেন এবং পরে তা সমাজের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। অথচ বুরকিনা ফাসোর শ্রমবাজারে প্রয়োজনীয় পেশাগত দক্ষতা তাঁদের অনেকেরই থাকে না।


এই বক্তব্য আরবি ভাষা ও শরিয়াহ নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। বিশেষ করে তাঁদের পরোক্ষভাবে ‘সম্ভাব্য সন্ত্রাসী’ হিসেবে উপস্থাপন এবং আরব বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁদের পড়াশোনা দেশের কোনো কাজে আসে না—এমন ইঙ্গিতকে তাঁরা সহজভাবে নেননি।
প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে আরব বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত আফ্রিকান শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীদের মধ্যেও। বিশেষ করে আরব বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট এবং মুসলিম-খ্রিষ্টান নির্বিশেষে আরবিভাষীদের অনেকে একে তাঁদের শিক্ষা ও মেধার প্রতি অনাস্থা হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, বছরের পর বছর ধরে অর্জিত জ্ঞানকে চরমপন্থার সম্ভাব্য উৎস হিসেবে তুলে ধরে দেশের জ্ঞানচর্চা ও উন্নয়নে তাঁদের অবদানকেও অস্বীকার করা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় আয়রনি হলো, এই ‘বুরকিনাবে বিপ্লবী’ আরবদের কথিত দাসত্বের ইতিহাস তুলে ধরতে গিয়ে বেছে নিয়েছেন তাঁর দেশের সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ও বর্তমান শত্রু ফ্রান্সের ভাষা। অথচ ইউরোপীয় জাহাজে করে আফ্রিকানদের দাস হিসেবে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ানো এবং তাঁদের ওপর চালানো নৃশংসতার সাম্প্রতিক ইতিহাস যেন তিনি বেমালুম ভুলে গেছেন।
ট্রাওরের এসব মন্তব্যে ঐতিহাসিক সত্যতার ঘাটতি যেমন বিতর্ককে জটিল করেছে, তেমনি দেশের ভেতরে ইসলামি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে তাঁর একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। এখন পর্যন্ত এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে—
- ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন: এই আইনের মাধ্যমে ধর্মীয় দাওয়াহ ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে মসজিদ নির্মাণ নিষিদ্ধ এবং সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষা বন্ধ করা হয়েছে। আইনের বিভিন্ন ধারা রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থার ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রকে আরও কঠোরভাবে প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করেছে।
- রাজধানীর সবচেয়ে বড় মসজিদ বন্ধ: দেশজুড়ে মসজিদগুলোর ওপর কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক বিধিনিষেধ আরোপের ধারাবাহিকতায় রাজধানীর সবচেয়ে বড় মসজিদটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি করেছে।
- শীর্ষ আলেমদের গ্রেপ্তার: দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন আলেম, ইসলামি ব্যক্তিত্ব ও যুবক স্কলারকে গ্রেপ্তার করে সামরিক ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাঁদের মারধর, লাঞ্ছনা ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
- বিদেশে থাকা আরবি ও শরিয়াহ শিক্ষার্থীদের হুমকি: আরব দেশগুলোতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। না ফিরলে তাঁদের নাগরিকত্ব বাতিলেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ট্রাওরের দাবি, এসব শিক্ষার্থী দেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং দেশের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জ্ঞান ও দক্ষতা নিয়ে তাঁরা ফিরছেন না।
অন্যদিকে দেশের ভেতরে আরবি ও ইসলামি শিক্ষার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার সময়ই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার পথে এগোচ্ছেন ট্রাওরে। দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর ওয়াগাদুগুতে ইসরায়েলের নতুন রাষ্ট্রদূত সাইমন সারোসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি এবং গ্রহণ করেছেন তার পরিচয়পত্র।
‘আফ্রিকা ইন্টেলিজেন্স’ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের গ্রীষ্মকাল থেকেই ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের অনুমোদনের আবেদনটি ঝুলে ছিল। শেষ পর্যন্ত অনেকটা প্রচারের আড়ালেই তাতে অনুমোদন দেয় ট্রাওরে প্রশাসন।
এই সিদ্ধান্ত ট্রাওরের এত দিনের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। নিজেকে পশ্চিমা আধিপত্য ও ঔপনিবেশিকতার বিরোধী নেতা হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি। অথচ এখন সেই ট্রাওরেই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল এবং গাজায় গণহত্যা চালানো যুদ্ধাপরাধী দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করছেন। ফলে এত দিন তিনি যে ঔপনিবেশিকতাবিরোধী ‘বিপ্লবী’ ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন, তার সঙ্গে এই নতুন অবস্থানের বিরোধ ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
নাগরিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ
ট্রাওরের লড়াই কেবল আরবদের ইতিহাস কিংবা ইসলামি প্রতিষ্ঠান ঘিরেই নয়; দেশের রাজনৈতিক ও নাগরিক পরিসরেও তাঁর কঠোর অবস্থান স্পষ্ট। ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো গণতন্ত্রে নেই, বরং একটি প্রগতিশীল বিপ্লবের মধ্যে আছি এবং এটি সবাইকে বুঝতে হবে।’
ক্ষমতায় আসার পর সেই অবস্থানের প্রতিফলনও দেখা গেছে। অন্তর্বর্তীকালীন শাসনের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানোর পর ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে রাজনৈতিক দলগুলো বিলুপ্ত করেন ট্রাওরে। তাঁর সরকারের দাবি, রাজনৈতিক দলের সংখ্যাধিক্য নাগরিকদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করেছে এবং সামাজিক সংহতি দুর্বল করেছে।
এরপর কড়াকড়ি নেমে আসে বেসরকারি ও সামাজিক সংগঠনগুলোর ওপরও। বিভিন্ন অভিযোগে ৯২৯টি সংগঠন বিলুপ্ত বা স্থগিত করা হয়। স্বাধীনতার ওপর কড়াকড়ির সমালোচনা করায় বিলুপ্ত করা হয় ‘জেনারেল ইউনিয়ন অব বুরকিনাবে স্টুডেন্টস’-কেও।
সন্ত্রাসবাদ ও জাতিগত সংঘাত
গত বছর বিশ্বজুড়ে বিচ্ছিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলায় যত মানুষ নিহত হয়েছেন, তাঁদের এক-চতুর্থাংশই বুরকিনা ফাসোতে। এমনকি ২০২৪ সালের বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ৯টিই ঘটেছে দেশটিতে। সাধারণ মানুষ এখনো সশস্ত্র গোষ্ঠী ও সামরিক জান্তা—দুই পক্ষের সহিংসতার মাঝখানে আটকা পড়ে আছেন।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্যমতে, সামরিক জান্তার হাতে নিহত মানুষের সংখ্যা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে নিহতদের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। আর বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২০ লাখ।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাতিগত সংঘাত। সামরিক জান্তার বিরোধীরা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ফুলানি জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ তুলেছেন। এই জনগোষ্ঠীর একটি অংশ আবার সাহেলের অন্যতম শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন’-এর সঙ্গে যুক্ত।
ট্রাওরে এখনো সশস্ত্র গোষ্ঠিগুলোর বিরুদ্ধে বিজয় দাবি করতে পারেননি। সশস্ত্র গোষ্ঠীর দখল থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ পুনরুদ্ধারের কথা বললেও হামলা থামেনি। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই সশস্ত্র গোষ্ঠির নামে সেনাবাহিনীর হাতে প্রাণ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ, আর সংঘাতের আগুনে পুড়ছে ‘সৎ মানুষের দেশ’ বুরকিনা ফাসো।
সংকারার উত্তরাধিকার ও ট্রাওরের ভাবমূর্তি
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ট্রাওরে নিজেকে থমাস সংকারার উত্তরাধিকারী হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর সমর্থকেরাও সেই ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। ঔপনিবেশিকতাবিরোধী অবস্থান, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের আহ্বান এবং ফরাসি আধিপত্যের বিরোধিতার কারণে সংকারা পরিচিত হয়েছিলেন ‘আফ্রিকার চে গেভারা’ হিসেবে। ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের স্বাধীনতাকামী আন্দোলনের প্রতিও তাঁর সমর্থন ছিল স্পষ্ট।
কিন্তু ট্রাওরের হাতে এসে সংকারার সেই উত্তরাধিকার এখন ক্ষয়ে যেতে শুরু করেছে। ফিলিস্তিন প্রশ্নকে পেছনে রেখে তিনি যেমন ইসরায়েলের দিকে হাত বাড়িয়েছেন, তেমনি দেশের ভেতরে ইসলামি প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় শিক্ষার বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। অথচ আফ্রিকার অনেক বুদ্ধিজীবী দীর্ঘদিন ধরে এমন নীতির জন্যই পশ্চিমা ঔপনিবেশিক শক্তি, বিশেষ করে ফ্রান্সের সমালোচনা করে এসেছেন।
ট্রাওরের সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো একই সঙ্গে তাঁর সুসংহত রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক দর্শনের অভাবও স্পষ্ট করছে। সংকারার উত্তরাধিকার বহনের দাবির বিপরীতে কর্তৃত্ববাদ, শক্তির হুংকার এবং একের পর এক নতুন সংঘাতে জড়িয়ে পড়াই এখন এই তরুণ ‘বিপ্লবী’র সবচেয়ে দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা, আল জাজিরা এজেন্সিসমূহ, আফ্রিকান সংবাদমাধ্যম, জ্যঁ আফ্রিক



