
গাজায় পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা করেছিলেন ইয়াহইয়া সিনওয়ার, বিস্ফোরক তথ্যসহ সামনে এলো তাঁর হাতের লেখা নথি
ঐতিহাসিক ‘তুফানুল আকসা’ বা ৭ অক্টোবরের অভিযানের পর তেল আবিব পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের মতো চরম পদক্ষেপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কা করেছিলেন

ঐতিহাসিক ‘তুফানুল আকসা’ বা ৭ অক্টোবরের অভিযানের পর তেল আবিব পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের মতো চরম পদক্ষেপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কা করেছিলেন

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েই নিজের ওপর চলা ভয়াবহ নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের রোমহর্ষক বিবরণ দিয়েছেন জার্মান মানবাধিকারকর্মী আনা লিডটকে। গাজায়

দারিদ্র্যপীড়িত উপসাগরীয় একটি দেশকে আঞ্চলিক কূটনীতি, বৈশ্বিক গণমাধ্যম ও জ্বালানি অর্থনীতির অন্যতম শক্তিতে রূপান্তর করেছিলেন তিনি

১৯৯৫ সালের জুলাইয়ে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ৮ হাজারেরও বেশি বসনীয় পুরুষ ও কিশোর গণহত্যার শিকার হয়। তাদের মৃতদেহ লুকিয়ে

সিরিয়ার দারআ অঞ্চলে স্থানীয় বাসিন্দাদের তাড়া খেয়ে সামরিক স্মার্টফোন ফেলে পালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। দারআ অঞ্চলের পশ্চিমাংশের ‘তেল কুদনা’ ও ‘তেল

পুরো বিশ্বের চোখ যখন ফুটবলের জমকালো মাঠে , ঠিক তখনই গাজায় দখদারত্ব ও অবরোধ আরও জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। চালিয়ে

ভারত প্রতিটি আত্মহত্যার ঘটনাকে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যা বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করে।

যত দ্রুত আমরা ইসলামি অর্থনীতির মূলনীতিগুলোকে আঁকড়ে ধরব, তত দ্রুতই আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব

১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট এবং বাদশাহ আব্দুল আজিজের মধ্যকার ঐতিহাসিক ‘কুইন্সি চুক্তি’র মূল ভিত্তি ছিল—‘সুরক্ষার বিনিময়ে

সৌদি আরব, মিশর, পাকিস্তান ও তুরস্কের এই নতুন মেরুকরণ কেবল একটি জোট নয়, বরং এটি ইসরায়েলের একক আধিপত্য রুখে দেওয়ার

সিরিয়ার বর্তমান বিচার বিভাগীয় কাঠামোতে আমূল পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত আইনি কাঠামো ভেঙে বিচারব্যবস্থাকে ইসলামি শরীয়াহর ছাঁচে ঢেলে

ইয়াহহিয়া সিনওয়ারের শাহাদাতের পর আন্দোলনের দিকনির্দেশনা ও কূটনৈতিক লড়াইয়ে তিনি এখন এক কেন্দ্রীয় স্তম্ভ।