
যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে হামাসের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত: ইসরায়েলের অব্যাহত আগ্রাসনে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা
দখলদার বাহিনী যদি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালাতে বা যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে চায়, তাহলে প্রতিরোধ যোদ্ধারা আত্মরক্ষা করবে

দখলদার বাহিনী যদি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালাতে বা যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে চায়, তাহলে প্রতিরোধ যোদ্ধারা আত্মরক্ষা করবে

আমি দেখেছি, ফিলিস্তিনিরা জীবনের প্রতি কী অসম্ভব ভালোবাসা নিয়ে বাঁচে। তারা বাঁচতে চায়, হাসতে চায়, গড়তে চায়। কিন্তু মৃত্যুকেও তারা ভয় পায় না।

এ বছরের দীপাবলি উৎসব ঘিরে ঘৃণার রাজনীতির বৈশ্বিক রূপ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহু ডানপন্থী অ্যাকাউন্ট দীপাবলির আনন্দ নয়, বরং এক বিকৃত উল্লাসে মেতেছে, যেখানে দীপাবলির আতশবাজিকে তুলনা করা হয়েছে গাজায় বোমা হামলার সাথে।

আজকে একটা স্বপ্ন দেখলাম। দেখলাম, গাজার পথে পথে হেঁটে বেড়াচ্ছি। হাজারে হাজারে মানুষ পথে। বাড়ি ফিরছে, আনন্দ করছে, নাগমায় সুর তুলছে।

দখলদার ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলায় অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি শহিদ হয়েছেন। শহিদদের মধ্যে আটজন শিশু।

জানমাল বাঁচাতে নয়, বরং নজরদারি ড্রোন ও থার্মাল ক্যামেরার চোখ ফাঁকি দিতে এই প্রাচীন ঢিলেঢালা কাপড় পরে ময়দানে নামছেন কাসসামের যোদ্ধারা।

চলমান যুদ্ধে আল কুদস ব্রিগেডের সর্বোচ্চ সামরিক নেতৃত্ব কাউন্সিল অব

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গতকাল রোববার গাজা উপত্যকায় ব্যাপক বিমান হামলা চালায়।

একটি মাত্র ঘটনা কীভাবে একের পর এক দেশকে প্রভাবিত করতে পারে, সেটা বোঝাতে ‘ডোমিনো প্রভাব’ বা ‘প্রজাপতি প্রভাব’-এর মতো ধারণা বুঝা গুরুত্বপূর্ণ।

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস যদি অস্ত্র সমর্পণ না করে, তাহলে

২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী আমার এলাকায় ঢুকে পড়েছিল। পরিবারের সঙ্গে গোলাবর্ষণের মধ্যেই পালাতে হয়েছিল। সেবারই প্রথম আমি ট্যাঙ্ক ও দখলদার সৈন্যদের সামনাসামনি দেখলাম। কয়েক মাস পর, ২০২৪ সালের শুরুতে, আবারও অবরুদ্ধ হলাম।

গাজা যুদ্ধের অবসানসংক্রান্ত চুক্তি কার্যকর হয়েছে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর ২০২৫)





