
রাফায় আটক কাসসাম যোদ্ধাদের নিয়ে কী বলছে হামাস?
গত ২৪ ঘণ্টায় রাফার পূর্বাঞ্চলের সুড়ঙ্গ থেকে হামাসের ১৭ জন যোদ্ধাকে তারা হত্যা ও আটক করেছে

গত ২৪ ঘণ্টায় রাফার পূর্বাঞ্চলের সুড়ঙ্গ থেকে হামাসের ১৭ জন যোদ্ধাকে তারা হত্যা ও আটক করেছে

যেকোনো নামে কোনো বাহিনী গাজায় ঢুকলে তা ফিলিস্তিনের জাতীয় সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হবে এবং মানুষের ভোগান্তি আরও দীর্ঘ করবে।

রাফায় অবরুদ্ধ প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ওপর হামলা হলে তার পরিণতি গুরুতর হবে। হামাসের অভিধানে আত্মসমর্পণ বলতে কিছু নেই।

দখলদার বাহিনী যদি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালাতে বা যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে চায়, তাহলে প্রতিরোধ যোদ্ধারা আত্মরক্ষা করবে

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গতকাল রোববার গাজা উপত্যকায় ব্যাপক বিমান হামলা চালায়।

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস যদি অস্ত্র সমর্পণ না করে, তাহলে

গাজা যুদ্ধের অবসানসংক্রান্ত চুক্তি কার্যকর হয়েছে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর ২০২৫)

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের সামরিক শাখা কাসসাম ব্রিগেডের যোদ্ধারা

অন্তত ১০ বার এমন সুড়ঙ্গ থেকে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে কাসসামের যোদ্ধারা, ইতিপূর্বে যেগুলো ধ্বংসের ঘোষণা দিয়েছিল ইসরায়েল।

হামাসের না আছে বিমান বাহিনী, না আছে ভারী অস্ত্র বা সাঁজোয়া যান, নেই বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, নৌবাহিনী কিংবা রাডার। তবু যদি শক্তিশালী ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এমন একটি সংগঠনকেও পরাস্ত করতে না পারে
ইসরায়েলের দখলদারত্ব যতদিন থাকবে, ততদিন প্রতিরোধ ও অস্ত্র বহনের অধিকারও বৈধ থাকবে।













