উইঘুর গণহত্যাকে আড়াল করতে কীভাবে পর্যটন কৌশল ব্যবহার করে চীন

হামাসের হাতে বন্দি থাকা সাবেক ইসরায়েলি জিম্মি এমিলি ডেমারি বলছেন, গাজা থেকে ভেসে আসা কুরআনের তিলাওয়াত তাঁর মনে প্রশান্তি আনে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক।
থাম্বনেইল

ইতিহাস কি সত্যিই নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে?

১৯৪৩ সালে নাৎসি জার্মানি পর্যটনের মাধ্যমে বিশ্বের চোখে এক মিথ্যা বাস্তবতা তুলে ধরেছিল। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে চলছিল গণহত্যা, অথচ বিদেশি পর্যটকদের সামনে সাজিয়ে রাখা হয়েছিল শান্তি, শৃঙ্খলা আর উন্নয়নের এক কৃত্রিম ছবি।

আজ, বহু গবেষক ও মানবাধিকার সংস্থার মতে, চীনের জিনজিয়াংয়েও দেখা যাচ্ছে একই ধরনের কৌশল। ঝলমলে পর্যটন, সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী ও আধুনিক নগরায়ণের আড়ালে কী লুকিয়ে আছে? উইঘুরদের বাস্তবতা কি ক্যামেরার ফ্রেমের বাইরে রেখে দেওয়া হচ্ছে?

❤️

এই সংবাদটি ভালো লেগে থাকলে আমাদের সাপোর্ট করতে পারেন

সাপোর্ট করুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন