
ইরানে কী ঘটছে, বিক্ষোভ ও সরকার পতন নিয়ে যা বলা হচ্ছে
ইরানে চলমান এই বড় ধরনের বিক্ষোভ মূলত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইরানে চলমান এই বড় ধরনের বিক্ষোভ মূলত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

কাসসাম ব্রিগেডের শহিদ মুখপাত্র হুজাইফা আল-কাহলুত, যিনি বিশ্বজুড়ে আবু উবায়দা

আনুষ্ঠানিকভাবে গত সোমবার কাসসাম ব্রিগেড তাদের মুখপাত্র আবু উবায়দার শাহাদাতের

একটি দেশের মুদ্রা কেবল বিনিময়ের মাধ্যম নয়, বরং তা সংশ্লিষ্ট

দুই মাসের ব্যবধানে চারটি পৃথক মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সিরিয়ার

একজন আবু উবায়দার শাহাদাত এমন আরও ডজনখানেক আবু উবায়দা তৈরির পথ প্রশস্ত করে। প্রতিরোধ সংগ্রাম এভাবেই চলতে থাকে; এক শহীদের স্থান পূরণ করেন আরেক শহীদ।

আর জেনে রাখুন, আরব ও মুসলিমরা যখন নিজের ভাইদের ওপর চলা জুলুমের ব্যাপারে নীরব থাকে, তখন মূলত তাদের নিজেদের পালা আসার অপেক্ষাই করতে হয়।

একজন দুর্ধর্ষ সামরিক মুখপাত্র হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন উচ্চশিক্ষিত গবেষক।

আমরা একেকজন মুসলিমের মৃতদেহ থেকে এক বা দুই টুকরো মাংস কেটে নিতাম। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ তো ঝলসানোর অপেক্ষাও করত না, বরং বন্য পশুর মতো কাঁচা মাংসই দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে খেত।’

দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর চিফ অব স্টাফ তজাচি ব্রাভারম্যানের

দখলদার ইসরায়েলের অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড মূলত এই প্রযুক্তির প্রথম পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এই যোদ্ধারা বিপ্লবের প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন এবং মজলুমদের সহায়তার লক্ষ্যে সিরিয়ায় এসেছিল। তাদের বেশিরভাগ এসেছে মধ্য এশিয়া, আরব, তুরস্ক, বলকান ও ইউরোপ থেকে।












