
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের পরবর্তী টার্গেট কি তুরস্ক?
তেলআবিব যদি এই পথে এগোতে থাকে, তবে আঙ্কারা ও তেল আবিবের মধ্যে সরাসরি সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠবে। তুরস্ক তার দক্ষিণ সীমান্তে অস্থিতিশীলতা বজায় থাকে, এমন কোনো নীতি মেনে নিতে পারে না।

তেলআবিব যদি এই পথে এগোতে থাকে, তবে আঙ্কারা ও তেল আবিবের মধ্যে সরাসরি সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠবে। তুরস্ক তার দক্ষিণ সীমান্তে অস্থিতিশীলতা বজায় থাকে, এমন কোনো নীতি মেনে নিতে পারে না।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা চলাকালীন ভারতীয় কোম্পানি আদানি-এলবিট অ্যাডভান্সড সিস্টেমস ইন্ডিয়া লিমিটেড ইসরায়েলকে ২০টিরও বেশি হার্মিস-900 ড্রোন সরবরাহ করে। এসব ড্রোন ভারতের মাটিতেই তৈরি হয়।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সেনাবাহিনীতে ২৭৯টি আত্মহত্যার চেষ্টা রেকর্ড করা হয়েছে।

এ বছরের দীপাবলি উৎসব ঘিরে ঘৃণার রাজনীতির বৈশ্বিক রূপ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহু ডানপন্থী অ্যাকাউন্ট দীপাবলির আনন্দ নয়, বরং এক বিকৃত উল্লাসে মেতেছে, যেখানে দীপাবলির আতশবাজিকে তুলনা করা হয়েছে গাজায় বোমা হামলার সাথে।

যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সহায়তা ছাড়া ইসরায়েলের একার পক্ষে বড় কিছু করা সম্ভব নয়। সামরিক শক্তি ও সরঞ্জামের দিক থেকে তুরস্ক স্পষ্টভাবেই ইসরায়েলের চেয়ে এগিয়ে।

প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত বিভাজনের বীজ বপন করা হয়েছে। লক্ষ্য— এই অঞ্চলকে টুকরো করে ফেলা।

প্রকাশ্যে চীনের রাষ্ট্রদূতরা স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে কথা বললেও, পর্দার আড়ালে চীনের অর্থনৈতিক ভূমিকা কার্যত এক ধরনের ‘নীরব সহযোগিতা’, যা ইসরায়েলের দখলদারিত্ব ও অবৈধ শাসনব্যবস্থাকে দীর্ঘস্থায়ী করার পক্ষে কাজ করছে।

গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি এবং একটি পূর্ণাঙ্গ বন্দি বিনিময় চুক্তির দাবিতে

গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় একটি সুড়ঙ্গে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি

গাজা উপত্যকা ইসরায়েলি অবরোধের কারণে চরম মানবিক সংকটে পড়েছে। টানা

দখলদার ইসরায়েল আবারও প্রকৃতির নির্মম আঘাতে কাবু। জেরুজালেমের পাহাড়ে ছড়িয়ে

ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ আন্দোলন, যা হুথি আন্দোলন নামে পরিচিত, এক বিবৃতিতে জানিয়েছে—তাদের ড্রোন ইউনিট মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস ভিনসন’ এবং ইসরায়েলের একাধিক সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় সফলভাবে হামলা চালিয়েছে।












