মধ্যপ্রাচ্য

মধ্যপ্রাচ্য অর্ডার করতে ক্লিক করুন

এক সপ্তাহে ইয়েমেনে কী কী হারাল আরব আমিরাত?

ছবি : এআই
ছবি : এআই

২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরুতে এক অভূতপূর্ব সংকটের মুখে পড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। মিত্র সৌদি আরবের সঙ্গে টানাপোড়েনের চাপেই ইয়েমেন থেকে তাদের সামরিক উপস্থিতি তড়িঘড়ি করে গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয় আবুধাবি।

সৌদি আরব ইয়েমেনের সরকারের আহ্বানকে সমর্থন জানিয়ে ইউএইকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়। কারণ হিসেবে রিয়াদ আবুধাবির বিরুদ্ধে ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) বিদ্রোহে সমর্থনের অভিযোগ তোলে।

একই সময়ে আমিরাতের প্রধান স্থানীয় প্রক্সি সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের পতন ঘটে। সংগঠনটির নেতা আইদারুস আল জুবাইদি পালিয়ে আবুধাবিতে আশ্রয় নিলে তারা নিজেদের বিলুপ্তি ও প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এই ঘটনাকে ‘দক্ষিণের পথ সংশোধন’ হিসেবে বর্ণনা করে।

এই দ্রুত প্রত্যাহারের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই ইয়েমেনে আবুধাবি গুরুতর কৌশলগত ক্ষতির মুখে পড়ে।

প্রথমত: গুরুত্বপূর্ণ সোকোত্রা দ্বীপপুঞ্জ

সোকোত্রা দ্বীপকে ইয়েমেনে আবুধাবির প্রভাব বিস্তারের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ভারত মহাসাগরে লোহিত সাগরের প্রবেশমুখের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় দ্বীপটির কৌশলগত গুরুত্ব আলাদা করে চোখে পড়ে।

২০১৮ সাল থেকে কার্যত সোকোত্রার নিয়ন্ত্রণ ছিল আরব আমিরাতের হাতে। সে সময় ইয়েমেন সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক আহ্বান ছাড়াই সেখানে সেনা ও সামরিক যান মোতায়েন করে আবুধাবি। মূল ভূখণ্ডে চলমান সংঘাতের বাইরে থাকা শান্ত দ্বীপটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে সোকোত্রাকে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিস্তারের একটি ঘাঁটিতে রূপ দেয় তারা।

এ লক্ষ্যেই অবকাঠামো ও সেবা খাতে অর্থায়ন করা হয় এবং আবুধাবি থেকে একচেটিয়া পর্যটন ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে সোকোত্রাকে অর্থনৈতিকভাবে আমিরাতের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এমনকি যোগাযোগ ব্যবস্থাও বাদ পড়েনি, আমিরাতি কোম্পানিগুলো টাওয়ার স্থাপন করে দ্বীপটিকে উপসাগরীয় রাষ্ট্রটির মোবাইল ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসে।

সামরিক বিশ্লেষকেরা সোকোত্রাকে আখ্যা দিয়েছিলেন ‘ডুববে না, এমন একটি বিমানবাহী রণতরি’। তাঁদের মতে, এই দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণ থাকলে বাব আল মানদাব প্রণালির কাছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব।

তবে এই দ্বীপপুঞ্জে আমিরাতের কর্তৃত্বে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে। তখন আরব আমিরাত সোকোত্রা থেকে তাদের সামরিক বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে দ্বীপে আবুধাবির সরাসরি সামরিক প্রভাবের অবসান ঘটে। একই সঙ্গে আবুধাবি হয়ে সোকোত্রাগামী বিমান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়।

এর পাশাপাশি সেখানে আবুধাবির স্থানীয় কেন্দ্রগুলোও কার্যত ভেঙে পড়ে। দ্বীপের প্রশাসনে যুক্ত সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের মিলিশিয়ারা একদিকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, অন্যদিকে পড়ে সৌদি আরবের সামরিক চাপের মুখে। যদিও নামমাত্র তাদের উপস্থিতি তখনও দৃশ্যমান ছিল।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন কর্তৃপক্ষ ধীরে ধীরে আমিরাতি উপস্থিতির সঙ্গে যুক্ত চিহ্নগুলো সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে আমিরাত-সম্পৃক্ত বিভিন্ন উৎসব ও আয়োজনের অবকাঠামো ভেঙে ফেলা হচ্ছে। পাশাপাশি আমিরাতের অর্থায়নে পরিচালিত পর্যটন ও মৎস্য খাত-সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সোকোত্রা দ্বীপপুঞ্জের বাকি অংশে আরব আমিরাতের সামরিক প্রকল্পের অবসান ঘটেছে। দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্ভুক্ত আবদুল কুরি ও সামহা, এই দুই দ্বীপে ইয়েমেনি সরকারের অজান্তে আমিরাত যে রানওয়ে ও সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ শুরু করেছিল, সেগুলোর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ এখন ইয়েমেন সরকারের হাতে।

এর ফলে আবুধাবি এমন একটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অবস্থান হারায়, যা ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগরের মধ্যকার নৌপথ নজরদারি এবং বিশ্বের অন্যতম সংবেদনশীল অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চলাচলের ওপর প্রভাব রাখার সুযোগ করে দিত।

দ্বিতীয়ত: বাব আল মানদাব প্রণালির মিয়ুন দ্বীপ

বাব আল মানদাব প্রণালির কাছে অবস্থিত মিয়ুন (পেরিম) দ্বীপ থেকে আরব আমিরাত সরাসরি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের ওপর নজর রাখার সুযোগ পেয়েছিল।

আয়তনে মাত্র কয়েক বর্গকিলোমিটার হলেও, মিয়ুন লোহিত সাগর ও আদেন উপসাগরের মধ্যকার নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণেই আবুধাবি শুরু থেকেই সেখানে দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি প্রতিষ্ঠায় জোর দেয়। ২০১৬ সাল থেকে গোপনে দ্বীপজুড়ে একটি বড় সামরিক বিমানঘাঁটির রানওয়ে নির্মাণের কাজ শুরু করে তারা।

২০২১ সালে প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, মিয়ুন দ্বীপে প্রায় ১ হাজার ৮০০ মিটার দীর্ঘ একটি রানওয়ে, বিমান হ্যাঙ্গার এবং অন্যান্য সামরিক অবকাঠামোর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই এর দায় স্বীকার করেনি।

তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, মিয়ুন দ্বীপে ওই বিমানঘাঁটি নির্মাণ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতই। জোটের ভেতরে নিজেদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে, ২০১৯ সালে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পরও তারা আড়ালেই প্রকল্পটি সম্পন্ন করে।

মিয়ুন দ্বীপে সামরিক রানওয়ে নির্মাণকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছিল। এর মাধ্যমে বাব আল মানদাব প্রণালির ওপর নিবিড় নজরদারি জোরদার করার সুযোগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের ওপর প্রভাব বিস্তার এবং প্রয়োজনে সামরিক কিংবা প্রতিরোধমূলক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতাও বাড়ে। বিশ্লেষকদের একটি অংশের মতে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে আঞ্চলিক পরিসরে নিজের শক্তি ও উপস্থিতি দৃশ্যমান করতে চেয়েছিল আবুধাবি।

তবে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সৃষ্ট সংকটের প্রেক্ষাপটে মিয়ুন দ্বীপে আমিরাতের উপস্থিতির ইতি ঘটে। জরুরি প্রত্যাহার কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত সব আমিরাতি কর্মকর্তা ও সেনাসদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর আওতায় নবনির্মিত বিমানঘাঁটিটিও পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে।

ইয়েমেনের সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, আমিরাতি সেনারা সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্বীপটির পূর্ণ সার্বভৌমত্ব ইয়েমেনের হাতে ফিরে আসে। কোনো নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি না হতে দিতে সৌদি আরবের সহায়তায় কোস্টগার্ড ও সেনাবাহিনীর ইউনিট মিয়ুনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।

তৃতীয়ত: সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা

দ্বীপগুলো ছাড়াও, আরব আমিরাত ইয়েমেনের মূল ভূখণ্ডে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোও হারিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

মোক্কা বন্দর: আমিরাত এটিকে একটি বন্ধ সামরিক ঘাঁটিতে রূপান্তরিত করেছিল, যেখানে সমুদ্রপথে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম আনা হতো।

আদেন শহর ও তার বন্দর: এখানে দখল ছিল আমিরাত সমর্থিত সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের।

দক্ষিণ ইয়েমেনের ঐতিহাসিক আল আন্দ বিমানঘাঁটি: এখানে আমিরাতি উপদেষ্টা ও সামরিক সদস্যরা স্থায়ীভাবে অবস্থান নিয়েছিলেন।

হাদারা-মাউত আল মোকলা শহর ও রিয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: আমিরাত এটি কয়েক বছর ধরে একটি বন্ধ বিমানঘাঁটি ও অপারেশনাল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছিল।

আরব সাগর উপকূলে বেলহাফ গ্যাস স্থাপনা: এটি গত ১০ বছর ধরে আমিরাতের একটি গোপন সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

চতুর্থত: অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা চুক্তি বাতিল

আবুধাবির ক্ষতি শুধু সামরিক স্থাপনায় সীমাবদ্ধ নয়,  বরং ইয়েমেনে তাদের মিত্রদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় সম্পাদিত অর্থনৈতিক স্বার্থ ও বাণিজ্যিক–নিরাপত্তা চুক্তিতেও এর প্রভাব পড়েছে।  এসব চুক্তিকে ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী এবং অন্যায় হিসেবে উল্লেখ করে স্থগিত করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

টেলিযোগাযোগ চুক্তি:

এই চুক্তিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘আদেন নেট’-এর সঙ্গে NX Digital Technology কোম্পানির অংশীদারিত্বে বৈধ সরকারের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা পরিচালনার কথা ছিল। তবে এটি ব্যাপক সংসদীয় আপত্তির মুখে পড়ে; বলা হয়, এটা অভিজ্ঞতাহীন একটি কোম্পানির কাছে দক্ষিণাঞ্চলের টেলিযোগাযোগ খাতের ৭০ শতাংশ সম্পদ বিপুল ছাড়ের বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়ার শামিল।

পূর্ববর্তী নিরাপত্তা চুক্তিসমূহ:

সন্ত্রাসবাদ দমনের অজুহাতে স্বাক্ষরিত এসব চুক্তি আমিরাতি নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে যেকোনো ইয়েমেনিকে অনুসরণ ও তল্লাশির অভূতপূর্ব ক্ষমতা প্রদান করেছিল। চুক্তিগুলো ফাঁস হলে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও নাগরিক অধিকারের লঙ্ঘনের কারণে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। এখন এগুলো বাতিলের মাধ্যমে ইয়েমেনের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে তার সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে।

কিশন বন্দরের বিনিয়োগ চুক্তি বাতিল:

খনিজ রপ্তানির জন্য মাহরা প্রদেশের কিশন বন্দরের ৫০ বছরের বিনিয়োগ চুক্তি করা হয়েছিল। যেখানে প্রতি মিটার বার্ষিক ফি নির্ধারিত ছিল মাত্র ১ মার্কিন ডলার। এই চুক্তিকে উল্লেখ করা হয়, ইয়েমেনের অর্থনৈতিক স্বার্থকে উপেক্ষা করে করা অন্যায় চুক্তি হিসেবে। পর্যালোচনার পর সংসদীয় সুপারিশ ও গণআন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় পুরো চুক্তিটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তেল ও গ্যাস খাতের চুক্তি বাতিল:

তেল ও গ্যাস খাতে এমন কিছু চুক্তি ছিল, যেগুলো আমিরাতপন্থী কর্মকর্তারা সম্পাদন বা প্রস্তাব করেছিলেন। এসব চুক্তি আমিরাতি কোম্পানিগুলোকে মুকাল্লা ও হাদারামাউতের অন্যান্য এলাকায় তেল শোধনাগার পরিচালনায় অগ্রাধিকার দেয়। পাশাপাশি ইয়েমেনের তেল ও গ্যাস বিপণনের ৫০ বছরের একটি চুক্তিও বাতিল করা হয়েছে, যার আওতায় আমিরাত-সম্পৃক্ত একটি কোম্পানি ৩৫ শতাংশ মুনাফা পাওয়ার কথা ছিল।

আদেন বন্দরের অস্বচ্ছ চুক্তি বাতিল:

একই বিষয় প্রযোজ্য আদেন বন্দরের ক্ষেত্রেও। এর আগে শোনা যায়, দুবাই পোর্টস ওয়ার্ল্ড কোম্পানি এই বন্দরের জন্য নতুন একটি ইজারা চুক্তিতে আগ্রহী। সাম্প্রতিক অগ্রগতির পর সরকারি সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, বন্দরের বিষয়ে যেকোনো অস্বচ্ছ চুক্তি এখন বাতিল হিসেবে গণ্য হবে এবং এটি ইয়েমেন সরকারের অধীনেই পরিচালিত হবে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতায়, ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থ নিশ্চিত করে বন্দরটি উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর মধ্য দিয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহটি দক্ষিণ ইয়েমেনে আমিরাতের দীর্ঘদিনের প্রভাবের অবসান টানার এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে উঠে আসে। আট বছরের পরিশ্রমে গড়ে তোলা অবস্থান আবুধাবি হারিয়েছে মাত্র আট দিনের ব্যবধানে। এর ফলে লোহিত সাগর ও আরব উপদ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য ইয়েমেন সরকার ও তাদের মিত্রদের অনুকূলে বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।