
সিরিয়ায় কেন ফের যুদ্ধ শুরু হলো, এসডিএফ কারা,কী চায়
এসডিএফের নিয়ন্ত্রণে আছে মূল ভূখণ্ডের ২৭.৮% এলাকা। প্রায় তিনটি বড় প্রদেশ— রাক্কা, হাসাকা, দাইর আজ জুর এবং আলেপ্পোর কিছু অংশ।

এসডিএফের নিয়ন্ত্রণে আছে মূল ভূখণ্ডের ২৭.৮% এলাকা। প্রায় তিনটি বড় প্রদেশ— রাক্কা, হাসাকা, দাইর আজ জুর এবং আলেপ্পোর কিছু অংশ।

একটি দেশের মুদ্রা কেবল বিনিময়ের মাধ্যম নয়, বরং তা সংশ্লিষ্ট

দুই মাসের ব্যবধানে চারটি পৃথক মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সিরিয়ার

এই যোদ্ধারা বিপ্লবের প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন এবং মজলুমদের সহায়তার লক্ষ্যে সিরিয়ায় এসেছিল। তাদের বেশিরভাগ এসেছে মধ্য এশিয়া, আরব, তুরস্ক, বলকান ও ইউরোপ থেকে।

সিরিয়া প্রসঙ্গে তুরস্ক ও কাতারের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরে তুরস্ক সিরিয়ার বিপ্লবের উল্লেখযোগ্য সমর্থক এবং লাখো শরণার্থীর প্রধান আশ্রয়দাতা।

এগুলো কি সবই অভিনয়? সমগ্র সরকার কি অভিনয় করতে পারে?

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আশ শারা ১৯৮২ সালে সৌদি আরবে জন্ম নেন। তাঁর পরিবার ইসরায়েল দখলীকৃত গোলান মালভূমির বাসিন্দা। শৈশব থেকেই ভূমি ও পরিচয় হারানোর বেদনা, দখলদারিত্বের বাস্তবতা—এসব তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সিরিয়ার প্রথম উদ্যোগ ছিল আঞ্চলিকভাবে নিজেদের অবস্থান নতুনভাবে নির্ধারণ করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই সিরিয়া তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার ও জর্ডানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেছে।

দামেস্কের ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদে আজ ভোরে ফজরের নামাজে ইমামতি করেন

আমি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ফ্রন্টে লড়াই করেছি, সম্মানের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি। বেসামরিক মানুষকে নিরাপদ রাখতে নিজের জীবনসহ সহযোদ্ধাদের জীবনকে বারবার ঝুঁকির মুখে ফেলেছি।

১৪ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে ক্ষমতা সুসংহত করার চেষ্টার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট আহমদ আশ শারা সরাসরি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে আছেন

প্রেসিডেন্ট শারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আপনারা কি ভুলে গেছেন, আপনারা তো বিপ্লবের সন্তান?’ তিনি বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি গাড়ির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এগুলো কি বিপ্লবীদের পরিচয়, নাকি শোষকদের উত্তরাধিকার?’












