
ইরানে কী ঘটছে, বিক্ষোভ ও সরকার পতন নিয়ে যা বলা হচ্ছে
ইরানে চলমান এই বড় ধরনের বিক্ষোভ মূলত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইরানে চলমান এই বড় ধরনের বিক্ষোভ মূলত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

একজন আবু উবায়দার শাহাদাত এমন আরও ডজনখানেক আবু উবায়দা তৈরির পথ প্রশস্ত করে। প্রতিরোধ সংগ্রাম এভাবেই চলতে থাকে; এক শহীদের স্থান পূরণ করেন আরেক শহীদ।

এই যোদ্ধারা বিপ্লবের প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন এবং মজলুমদের সহায়তার লক্ষ্যে সিরিয়ায় এসেছিল। তাদের বেশিরভাগ এসেছে মধ্য এশিয়া, আরব, তুরস্ক, বলকান ও ইউরোপ থেকে।

গতকাল সিরিয়ার মজার এক ঘটনা ঘটছে। বিজয় দিবসে দিনব্যাপী ছিল

গত ২৪ ঘণ্টায় রাফার পূর্বাঞ্চলের সুড়ঙ্গ থেকে হামাসের ১৭ জন যোদ্ধাকে তারা হত্যা ও আটক করেছে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুলায়ে দিওপ একে ‘মনগড়া সংকট’ বলে মন্তব্য করলেও ফিলিং স্টেশনের সামনে লম্বা লাইন, নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি আর স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া—সবই চোখে দেখা বাস্তবতা

রাফায় অবরুদ্ধ প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ওপর হামলা হলে তার পরিণতি গুরুতর হবে। হামাসের অভিধানে আত্মসমর্পণ বলতে কিছু নেই।

রাজধানী বামাকোতে মালির সেনাবাহিনী এবং জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন (JNIM) এর যোদ্ধাদের মধ্যে টানা সংঘর্ষ চলছে। সংগঠনটি প্রথমবারের মতো সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

উইঘুরদের ওপর চীন সরকারের দমন-পীড়ন ও নিধনের ঘটনা নতুন নয়।

ইরানি প্রভাব ইরাকের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা পেয়েছে। সিরিয়া যুদ্ধের পরিবর্তিত বাস্তবতায় তেহরান সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বদলে স্থানীয় রাজনৈতিক মিত্রদের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করছে।

প্রেসিডেন্ট শারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আপনারা কি ভুলে গেছেন, আপনারা তো বিপ্লবের সন্তান?’ তিনি বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি গাড়ির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এগুলো কি বিপ্লবীদের পরিচয়, নাকি শোষকদের উত্তরাধিকার?’












