
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের তৃতীয় দিনে যা যা ঘটল, দেখুন এক নজরে
হিজবুল্লাহর যুদ্ধে যোগদানযুদ্ধের দ্বিতীয় দিন এক বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে

হিজবুল্লাহর যুদ্ধে যোগদানযুদ্ধের দ্বিতীয় দিন এক বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে যে, উইঘুরদের তাদের স্বজনদের লাশ ইট বা সিমেন্টের তৈরি বহুতল ভবনে দাফন করতে বাধ্য করা হচ্ছে। বাইরে থেকে এগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই যে এগুলো উইঘুরদের কবর।

দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত শাস্তিগুলো ইসলামি শরিয়াহ ও হানাফি ফিকহের আলোকে প্রণয়ন করা হয়েছে

ইরানে চলমান এই বড় ধরনের বিক্ষোভ মূলত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

একজন আবু উবায়দার শাহাদাত এমন আরও ডজনখানেক আবু উবায়দা তৈরির পথ প্রশস্ত করে। প্রতিরোধ সংগ্রাম এভাবেই চলতে থাকে; এক শহীদের স্থান পূরণ করেন আরেক শহীদ।

এই যোদ্ধারা বিপ্লবের প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন এবং মজলুমদের সহায়তার লক্ষ্যে সিরিয়ায় এসেছিল। তাদের বেশিরভাগ এসেছে মধ্য এশিয়া, আরব, তুরস্ক, বলকান ও ইউরোপ থেকে।

গতকাল সিরিয়ার মজার এক ঘটনা ঘটছে। বিজয় দিবসে দিনব্যাপী ছিল

গত ২৪ ঘণ্টায় রাফার পূর্বাঞ্চলের সুড়ঙ্গ থেকে হামাসের ১৭ জন যোদ্ধাকে তারা হত্যা ও আটক করেছে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুলায়ে দিওপ একে ‘মনগড়া সংকট’ বলে মন্তব্য করলেও ফিলিং স্টেশনের সামনে লম্বা লাইন, নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি আর স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া—সবই চোখে দেখা বাস্তবতা

রাফায় অবরুদ্ধ প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ওপর হামলা হলে তার পরিণতি গুরুতর হবে। হামাসের অভিধানে আত্মসমর্পণ বলতে কিছু নেই।

রাজধানী বামাকোতে মালির সেনাবাহিনী এবং জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন (JNIM) এর যোদ্ধাদের মধ্যে টানা সংঘর্ষ চলছে। সংগঠনটি প্রথমবারের মতো সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

উইঘুরদের ওপর চীন সরকারের দমন-পীড়ন ও নিধনের ঘটনা নতুন নয়।












