দামেস্কের ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদে আজ ভোরে ফজরের নামাজে ইমামতি করেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আশ শারা। মুক্তির ভোর স্মরণ করতে সারা দেশের মসজিদগুলোতে ছিল ব্যাপক উপস্থিতি।
‘রদউল উদওয়ান’ অভিযানের সময় যে পোশাকে তিনি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিলেন সেই পোশাক পরেই মসজিদে পৌঁছান তিনি। বিজয়ের প্রতীকী তাৎপর্যের কারণে সেই পোশাকেই নামাজে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট।
নামাজ শেষে মিম্বার থেকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত ভাষণে প্রেসিডেন্ট আহমাদ আশ শারা বলেন, সিরিয়ার উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম সব অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তাঁর সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুনর্গঠনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। পাশাপাশি দুর্বল মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও নাগরিকদের মধ্যে ন্যায়ের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করাই হবে সরকারের অগ্রাধিকার।
ফজরের নামাজে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিরিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি উসামা আর রিফাই, ধর্ম মন্ত্রী মুহাম্মদ আবুল খাইর শুকরি, বিচারমন্ত্রী মাযহার আল ওয়াইসসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তারা। সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে মসজিদের ভেতর ও বাইরের চত্বর ছিল লোকে লোকারণ্য।
এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছিল, আজানের আধাঘণ্টা আগে সব মসজিদে ‘বিজয়ের তাকবির’ দেওয়া হবে। বিজয় দিবসের স্মরণে নাগরিকদের ফজরের নামাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বরেই সিরিয়ার সামরিক অপারেশন কমান্ড দামেস্কসহ দেশের সব প্রদেশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় এবং ‘পুরোনো শাসন’ পতনের মাধ্যমে স্বাধীনতা অভিযানের সমাপ্তি ঘটে।
উদ্যাপনকে সামনে রেখে ভোর থেকেই বিভিন্ন প্রদেশ থেকে মানুষ রাজধানীর রাস্তায় সমবেত হতে থাকে। রাজধানীর উমাইয়া স্কোয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছিল জনসমাগম।
বিজয় দিবস উপলক্ষে ৭ ও ৮ ডিসেম্বর সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠান দুই দিন বন্ধ থাকবে।
সূত্র: ইখবার











