ইসরায়েলি অবরোধের মধ্যে ‘জটিল’ ও হাতে-কলমে পরিচালিত একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। ওই অর্থ দিয়েই সদস্যদের বেতন পরিশোধ করছে বলে জানিয়েছে আশ শারকুল আওসাত।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, হামাস তাদের নেতৃত্ব, সামরিক শাখা এবং সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত সদস্যদের প্রত্যেককে আংশিক বেতন দিয়ে থাকে। গাজা উপত্যকার ভেতরে ও বাইরে সংগঠনটির কিছু আর্থিক উৎস রয়েছে, যেগুলোর ওপর নির্ভর করেই এই অর্থের জোগান নিশ্চিত করা হয়।
হামাসের এক সূত্র বলেন, ইসরায়েলি অবরোধের কারণে নগদ অর্থ সংগ্রহ ও বিতরণের পুরো প্রক্রিয়াই অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে। ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও আনুষ্ঠানিক আর্থিক চ্যানেল কার্যত অচল থাকায়, হামাসকে বিকল্প পদ্ধতির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
সূত্রমতে , ইরানের মতো কিছু দেশের কাছ থেকে পাওয়া আর্থিক সহায়তা পরিস্থিতিভেদে কখনো কমে যায়, আবার কখনো বাড়ে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতা বদলালে এই সহায়তার মাত্রাতেও তার প্রভাব পড়ে।
ইসরায়েলের নজরদারি ও সম্ভাব্য অভিযানের ঝুঁকি এড়াতে হামাস বেতন বিতরণের ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। জানা গেছে, পুরো প্রক্রিয়াটি আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে রেখে হাতে-কলমে সম্পন্ন করা হয়।
সংগঠনের বাইরে থাকা একাধিক সূত্র অতীতের কিছু ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করেছে। সে সময় সদস্যদের বেতন দিতে পুরোনো ও জীর্ণ কাগুজে নোট ব্যবহার করা হতো।
এ ছাড়া অর্থ সংগ্রহের জন্য হামাস কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর কর আরোপ করেছিল।
একটি সূত্র জানায়, সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম হারে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রায় ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে।
এছাড়া হামাস এখনো শহিদ ও আহতদের পরিবারের জন্য নির্ধারিত ভাতা প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
সূত্র: আশ শারকুল আওসাত











