
গাজায় রমজান: অবরোধের ছায়ায় এক নির্মম মানবিক বাস্তবতা
রহমত, মাগফিরাত ও নাযাতের বার্তা নিয়ে আমাদের দুয়ারে কড়া নাড়ছে মুবারক মাস রমজান। কিন্তু গাজার বিধ্বস্ত রাজপথ, ছিন্নভিন্ন তাঁবু, ধ্বংসস্তূপের

রহমত, মাগফিরাত ও নাযাতের বার্তা নিয়ে আমাদের দুয়ারে কড়া নাড়ছে মুবারক মাস রমজান। কিন্তু গাজার বিধ্বস্ত রাজপথ, ছিন্নভিন্ন তাঁবু, ধ্বংসস্তূপের

সবকিছুর পরও রমজান সুন্দরই থাকবে, মোহনীয় হয়ে।

বিশ্ব যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের দামামাসহ বিভিন্ন সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই মার্কিন বিচার বিভাগ

আবু উবায়দা শহিদ হওয়ার ৯ মাস পর, আল জাজিরা খুঁজে পেল ওনার ৬ সদস্যের পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্যকে।

গাজায় হুসেইন আল-রামলাওয়ির এখন পুরোটা সময় কাটে সেই তাঁবুটিকে রক্ষা করতে, যা তাঁর পরিবারকে বিগত কয়েক দিন ধরে গাজায় আঘাত

আফগানিস্তানে একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনে ব্যর্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছর ব্যয় করেছে এবং লিবিয়ায় একনায়কতন্ত্র সরাতে গিয়ে রাষ্ট্রটিকে ভেঙে টুকরো

তিউনিসিয়ার বর্তমান সরকার ১৭ই ডিসেম্বর বিপ্লব দিবস পালনের ওপর জোর তাগাদা দিচ্ছে, যাতে সরকার প্রমাণ করতে পারে যে তারা সেই

একজন আবু উবায়দার শাহাদাত এমন আরও ডজনখানেক আবু উবায়দা তৈরির পথ প্রশস্ত করে। প্রতিরোধ সংগ্রাম এভাবেই চলতে থাকে; এক শহীদের

জাপান-চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যকার শীতল সম্পর্ক এশিয়াকে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক এক রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে।

আমরা একেকজন মুসলিমের মৃতদেহ থেকে এক বা দুই টুকরো মাংস কেটে নিতাম। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ তো ঝলসানোর অপেক্ষাও করত

বিগত কয়েক দিন ধরে সিরিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে একটি নামই বারবার উচ্চারিত হচ্ছে— ‘মুখোশধারী খালেদ’। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এই

ইসরায়েল ও আমেরিকা গাজায় এক্টিভেট করা নৃশংস মডেলটিকেই লেবানন, সিরিয়া, ইরান ও ইয়েমেনসহ পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে চায়।