ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি রকেট গত শুক্রবার সকালে আঘাত হানার পর দখলকৃত জেরুজালেম, রিশোন লে-সিয়োন ও লাখিশে সাইরেন বাজতে শুরু করে। রকেট প্রতিহত করতে সক্রিয় হয় দখলদার ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

রকেট হামলার সময় হাজারো ইসরায়েলি নাগরিক আতঙ্কে বাঙ্কারের দিকে ছুটে যান। সেই মুহূর্তের দৃশ্য ধরা পড়ে বিভিন্ন ভিডিওতে। হিব্রু গণমাধ্যম জানায়, আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে অন্তত দু’জন ইসরায়েলি নাগরিক আহত হন। পাশাপাশি, বেশ কয়েকজন আতঙ্কে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হন। তার আগের রাতেই যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের হুদায়দা শহরে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। মার্কিন যুদ্ধবিমান রস ইসা তেলবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালায়। পরে অগ্নি নির্বাপণ ও হতাহত উদ্ধারের সময় ফের দ্বিতীয় দফা হামলা চালানো হয়। এতে ৩২ জন ইয়েমেনি নিহত এবং ১০২ জন আহত হন।

এদিকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের মধ্যে সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী পুনরায় সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইয়েমেনি বাহিনী ইসরায়েল ও তাদের জাহাজগুলোর ওপর হামলা স্থগিত রেখেছিল। তবে মার্চের মাঝামাঝি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইয়েমেনি প্রতিরোধের বিরুদ্ধে ‘বৃহৎ হামলার’ নির্দেশ দিয়ে তাদের নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দিলে ইয়েমেনি বাহিনী আবার হামলা শুরু করে।

জবাবে ইয়েমেনি বাহিনী জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি তাদের গাজা সংকটে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন থেকে বিরত রাখতে পারবে না। এরপর থেকেই লাল সাগরে ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তু ও সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর ওপর হামলা জোরদার করে তারা।

সূত্র: কুদস নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *