সিরিয়ার রাজধানী দামেশকের উত্তরে কুতাইফা এলাকায় একটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেখানে অন্তত এক লাখ মরদেহ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান ইমারজেন্সি টাস্ক ফোর্সের প্রধান মায়াদ মোস্তফা এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কুতাইফার গণকবরটি তাদের শনাক্ত করা পাঁচটি বড় গণকবরের একটি। ১ লাখ মরদেহ একটি প্রাথমিক অনুমান, প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।

মোস্তফা দাবি করেন, এসব মরদেহ সিরিয়ার সামরিক হাসপাতাল থেকে আনা হয়েছিল। এগুলো নির্যাতনের পর বিভিন্ন গোয়েন্দা দপ্তরে পাঠানো হতো। সেখান থেকে মরদেহগুলো পরবর্তীতে গণকবরে দাফন করা হতো। তিনি আরও জানান, দামেশকের পৌর কবরস্থান অফিস এই কাজে সহায়তা করত, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ট্রাকের মাধ্যমে গণকবরের স্থানে পাঠানো হতো। এমনকি বুলডোজারের চালকরা আদেশ পেয়ে মরদেহ পিষে মাটি চাপা দিতো।

মোস্তফা বলেন, তিনি গণকবরের স্থানগুলো সুরক্ষিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন—যাতে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে তদন্ত করা যায়। তিনি জানান, গণকবরের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন, অনেকে নিজেদের দেশে পালিয়ে গেছেন অথবা সংস্থাটি তাদের পালাতে সাহায্য করেছে। এসব কর্মীরা কবর খনন এবং মরদেহ দাফন করার মতো অমানবিক কাজ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *